Home Blog Page 3

Latest Knowledge- সাধারণ বিজ্ঞান: এসিড নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

0

শক্তিশালী এসিড

সকল এসিডের রাজা>>> সালফিউরিক এসিড।
রাজঅম্ল>> নাইট্রিক এসিড ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের দ্রবণ।
সালফিউরিক এসিড
নাইট্রিক এসিড
হাইড্রোক্লোরিক এসিড।

বোরহানি/ দই >> ল্যাকটিক এসিড
আমলকী = অক্সালিক এসিড
কমলা = আসকরবিক এসিড/ ভিটামিন সি
লেবু = সাইট্রিক এসিড
তেতুল = টারটারিক এসিড
অ্যাপেল = ম্যালিক এসিড
টমেটো = ম্যালিক এসিড
দুধ= ল্যাক্টিক এসিড
পেঁপে = প্যাঁপেইন
মরিচ = ক্যাপসিন
ধুতরা = ডেটুরিন
কলা= লৌহ
বাদাম= ম্যাগনেসিয়াম
পানের রস= মেউসিলেজ
খেজুরের রস= ফ্রুক্টোজ
কচু= ক্যালসিয়াম অক্সালেট , লৌহ।

ভিনেগার >> ৬-৫% এসিটিক এসিডের দ্রবণ
পিপড়ার কামড়ে নি:সৃত হয় >> ফরমিক এসিড।
মৌমাছি হুল ফুটালে নি:সৃত হয় >> ফরমিক এসিড, মেলিটিন, অ্যাপামিন।
বিচ্ছু , বোলতা হুল ফুটালে প্রচন্ড জ্বালা হয় >> হিস্টামিন নামক ক্ষারক পদার্থ থাকার কারণে।
এসব কামড়ের জ্বালাপোড়া নিবারণে ক্যালামিন বা জিংক কার্বনেট ব্যবহৃত হয় ।

পাকস্থলীতে থাকে >> হাইড্রোক্লোরিক এসিড।
কোমল পানীয় পান করলে হজম তাড়াতাড়ি হয় কারণ >> সোডিয়াম বাইকার্বনেট(একে বেকিং সোডাও বলে) থাকার কারণে।
সৌর বিদ্যুত তৈরির জন্য সৌরপ্যানেলের জন্য বা বাসা বাড়িতে আইপিএস চালানোর জন্য বা গাড়িতে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় >>> সালফিউরিক এসিড।
সোডিয়াম বেনজয়েট >> ফলের রস, ফলের শাঁস ইত্যাদি সংরক্ষনে ব্যবহৃত হয় ।
সরবিক এসিড>> দই , মিষ্টি, পনির, মাখন, বেকারী সামগ্রী সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় ।
কালটার>> আম যাতে দ্রুত না পাকে সেজন্য ব্যবহৃত হয় । এটি এক প্রকার হরমোন।
আম জলপাই সংরক্ষনে>> ভিনেগার এসিড বা এসিটিক এসিড ব্যবহৃত হয় ।
টয়লেট পরিস্কার হিসেবে >> হাইড্রোক্লোরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড ও সালফিউরিক এসিড।
ক্ষারীয় মাটির ক্ষারত্ব দূর করণে ব্যবহৃত হয় >>নাইট্রিক এসিড, ফসরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড এর সার।
এসিড ছোড়ার শাস্তি >> যাবজ্জীবন কারাদন্ড থেকে মৃত্যু দন্ডহতে পার।

দুর্বল এসিড(জৈব এসিড)
এসিটিক এসিড
সাইট্রিক এসিড
অক্সালিক এসিড
কার্বোনিক এসিড।

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: বাঙালী জাতির অভ্যুদ্বয়

0

প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলাদেশে কয়টি জনপদ বিভক্ত ছিল ?
উত্তরঃ তিনটি জনপদে।

প্রশ্ন: প্রাচীন সভ্যতার অভ্যুদয় ঘটে কোথায়?
উত্তরঃ এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ।

প্রশ্ন: বাঙ্গালী জাতির পরিচয় কি?
উত্তরঃ শংকর জাতি হিসেবে।

প্রশ্ন: Bengal এবং Bangla কোন শব্দের রুপান্তর?
উত্তরঃ ফারসী ‘বাঙ্গালহ্’ শব্দের।

প্রশ্ন: কোন গ্রন্থে বাংলা শব্দের প্রথম ব্যবহার হয়েছে?
উত্তরঃ আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে।

প্রশ্ন: সমগ্র বাংলাদেশ ‘বঙ্গ’ নামে ঐক্যবদ্ধ হয় কোন আমলে?
উত্তরঃ পাঠান আমলে।

প্রশ্ন: আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কি ?
উত্তরঃ বেদ।

প্রশ্ন: বৈদিক যুগের শিক্ষার ভাষা কি ছিল ?
উত্তরঃ সংস্কৃত।

প্রশ্ন: প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রের রাজধানীর ধ্বংশাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তরঃ বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।

প্রশ্ন: দেশবাচক নাম হিসেবে বাংলা শব্দের ব্যবহার কখন প্রয়োগ হয় ?
উত্তরঃ মুসলিম শাসনামলের প্রথম দিকে।

প্রশ্ন: সম্রাট আকবরের আমলে সমগ্র বঙ্গদেশ কি নামে পরিচিতি ছিল ?
উত্তরঃ সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ নামে।

প্রশ্ন: কোন গ্রন্থে বাংলা শব্দের প্রথম ব্যবহার হয়েছে?
উত্তরঃ আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে।

প্রশ্ন: সমগ্র বাংলাদেশ ‘বঙ্গ’ নামে ঐক্যবদ্ধ হয় কোন আমলে?
উত্তরঃ পাঠান আমলে।

প্রশ্ন: প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ বলতে কোন অঞ্চলকে বুঝায়?
উত্তরঃ আধুনিক মুর্শিদাবাদ জেলার রাঙামাটি গ্রামকে।

প্রশ্ন: আর্যগণ কবে বাংলাদেশে আগমন করে?
উত্তরঃ ২০০০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।

প্রশ্ন: বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর কোন ভাষাভাষা ছিল ?
উত্তরঃ অষ্ট্রিক।

প্রশ্ন: সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের?
উত্তরঃ তাম্র যুগের।

প্রশ্ন: সিন্ধু সভ্যতা কখন আবিস্কার হয়?
উত্তরঃ ১৯২২ সালে।

প্রশ্ন: প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ বলতে কোন অঞ্চলকে বুঝায়?
উত্তরঃ আধুনিক মুর্শিদাবাদ জেলার রাঙামাটি গ্রামকে।

প্রশ্ন: আর্যগণ কবে বাংলাদেশে আগমন করে?
উত্তরঃ ২০০০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।

প্রশ্ন: আর্যগণ আগমনের পূর্বে এ দেশে কাদের বসবাস ছিল?
উত্তরঃ অনার্যদের

প্রশ্ন: বাংলার শাসন পদ্ধতি সুষ্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায় কোন যুগে ?
উত্তরঃ গুপ্ত যুগে।

প্রশ্ন: কোন সম্রাটের আমলে এ দেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে ?
উত্তরঃ সম্রাট অশোকের আমলে।

প্রশ্ন: প্রাচীন সভ্যতার অভ্যুদয় ঘটে কোথায়?
উত্তরঃ এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ।

প্রশ্ন: প্রাচীন বাংলাদেশে কয়টি জনপদ বিভক্ত ছিল ?
উত্তরঃ তিনটি জনপদে।

প্রশ্ন: আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কি ?
উত্তরঃ বেদ।

প্রশ্ন: বৈদিক যুগের শিক্ষার ভাষা কি ছিল ?
উত্তরঃ সংস্কৃত।

প্রশ্ন: বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর কোন ভাষাভাষা ছিল ?
উত্তরঃ অষ্ট্রিক।

প্রশ্ন: চীনা পরিব্রাজক হিউ-এন-স্যঙ কবে বাংলায় আগমন করেন ?
উত্তরঃ সপ্তম শতকে।

প্রশ্ন: বাংলা ভুমি খন্ডের প্রাচীন জনপদগুলোর নাম কি কি?
উত্তরঃ গৌড় -(পুন্ড্রু, বরেন্দ্রীয়, রাঢ়), সুহ্ম-(তাম্র, লিপ্পি, সমতট), বঙ্গ-(বঙ্গাল, হরিকেল)

প্রশ্ন: রাজা শশাঙ্কের শাসনামলের পর বঙ্গ দেশ কয়টি জনপদে বিভিক্ত ছিল?
উত্তরঃ ৩টি । যথাঃ পুন্ড্রু, গৌড়, বঙ্গ।

প্রশ্ন: প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রের রাজধানীর ধ্বংশাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় পাওয়া যায়?
উত্তরঃ বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।

প্রশ্ন: দেশবাচক নাম হিসেবে বাংলা শব্দের ব্যবহার কখন প্রয়োগ হয় ?
উত্তরঃ মুসলিম শাসনামলের প্রথম দিকে।

প্রশ্ন: সম্রাট আকবরের আমলে সমগ্র বঙ্গদেশ কি নামে পরিচিতি ছিল ?
উত্তরঃ সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ নামে।

প্রশ্ন: বাংলার শাসন পদ্ধতি সুষ্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায় কোন যুগে ?
উত্তরঃ গুপ্ত যুগে।

প্রশ্ন: কোন সম্রাটের আমলে এ দেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে ?
উত্তরঃ সম্রাট অশোকের আমলে।

প্রশ্ন: গৌতম বুদ্ধের জন্ম স্থান কোথায়?
উত্তরঃ লুম্বিনী (নেপাল)।

প্রশ্ন: বাঙ্গালী জাতির পরিচয় কি?
উত্তরঃ শংকর জাতি হিসেবে।

প্রশ্ন: বাংলা ভুমি খন্ডের প্রাচীন জনপদগুলোর নাম কি কি?
উত্তরঃ গৌড় -(পুন্ড্রু, বরেন্দ্রীয়, রাঢ়), সুহ্ম-(তাম্র, লিপ্পি, সমতট), বঙ্গ-(বঙ্গাল, হরিকেল)

প্রশ্ন: রাজা শশাঙ্কের শাসনামলের পর বঙ্গ দেশ কয়টি জনপদে বিভিক্ত ছিল?
উত্তরঃ ৩টি । যথাঃ পুন্ড্রু, গৌড়, বঙ্গ।

প্রশ্ন: আর্যগণ আগমনের পূর্বে এ দেশে কাদের বসবাস ছিল?
উত্তরঃ অনার্যদের

প্রশ্ন: চীনা পরিব্রাজক হিউ-এন-স্যঙ কবে বাংলায় আগমন করেন ?
উত্তরঃ সপ্তম শতকে।

প্রশ্ন: সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের?
উত্তরঃ তাম্র যুগের।

প্রশ্ন: সিন্ধু সভ্যতা কখন আবিস্কার হয়?
উত্তরঃ ১৯২২ সালে।

প্রশ্ন: গৌতম বুদ্ধের জন্ম স্থান কোথায়?
উত্তরঃ লুম্বিনী (নেপাল)।

প্রশ্ন: Bengal এবং Bangla কোন শব্দের রুপান্তর?
উত্তরঃ ফারসী ‘বাঙ্গালহ্’ শব্দের।

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: প্রাক সুলতানী আমল – মৌর্য বংশ

0

প্রশ্নঃ গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত (শ্রী-গুপ্ত) ।

প্রশ্নঃ গুপ্ত সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন হয়?
উত্তরঃ ৩২০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।

প্রশ্নঃ ফা-হিয়েনের ভারত পরিভ্রমনের কারণ কি ছিল?
উত্তরঃ বৌদ্ধ ধর্মপুস্তক ‘বিনায়াপিটক’ এর মূল রচনা সংগ্রহ করা।

প্রশ্নঃ ফা-হিয়েন কত বছর ভারতবর্ষে অবস্থান করেন?
উত্তরঃ তিন বছর।

প্রশ্নঃ গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে কখন?
উত্তরঃ স্কন্দগুপ্তের বিক্রমাদিত্যের জীবনাবসনে।

প্রশ্নঃ গুপ্ত বংশের রাজত্বকাল স্থায়ী হয়েছিল?
উত্তরঃ ৩২০-৫৫০ খ্রিঃ

প্রশ্নঃ গুপ্ত বংশের মধ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী রাজা কে ছিলেন ?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ ১ম চন্দ্রগুপ্তের উপাধি কি ছিল?
উত্তরঃ রাজাধিরাজ।

প্রশ্নঃ গুপ্তযুগে বঙ্গের ভাগ কয়টি ছিল?
উত্তরঃ দুটি

প্রশ্নঃ গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে?
উত্তরঃ সমুদ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ বিক্রমাদিত্য কার উপাধী ছিল?
উত্তরঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ অজান্তার গুহাচিত্র কোন যুগের সৃস্টি?
উত্তরঃ গুপ্তযুগের।

প্রশ্নঃ গুপ্ত বংশের রাজত্বকাল স্থায়ী হয়েছিল?
উত্তরঃ ৩২০-৫৫০ খ্রিঃ

প্রশ্নঃ গুপ্ত বংশের মধ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী রাজা কে ছিলেন ?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ ১ম চন্দ্রগুপ্তের উপাধি কি ছিল?
উত্তরঃ রাজাধিরাজ।

প্রশ্নঃ সমূদ্রগুপ্ত কখন সিংহাসনে আরোহন করেছিল?
উত্তরঃ ৩৩৫ খ্রিঃ।

প্রশ্নঃ কোন সম্রাটকে ভারতীয় নেপোলিয়ন বলা হত?
উত্তরঃ সমুদ্রগুপ্তকে।

প্রশ্নঃ সর্ব প্রথম কোন চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আগমন করেন?
উত্তরঃ ফা-ইয়েন।

প্রশ্নঃ ফা-হিয়েন কার সময়ে ভারতবর্ষ পরিভ্রমন করেন ?
উত্তরঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ ফা-হিয়েনের ভারত পরিভ্রমনের কারণ কি ছিল?
উত্তরঃ বৌদ্ধ ধর্মপুস্তক ‘বিনায়াপিটক’ এর মূল রচনা সংগ্রহ করা।

প্রশ্নঃ ফা-হিয়েন কত বছর ভারতবর্ষে অবস্থান করেন?
উত্তরঃ তিন বছর।

প্রশ্নঃ সমূদ্রগুপ্ত কখন সিংহাসনে আরোহন করেছিল?
উত্তরঃ ৩৩৫ খ্রিঃ।

প্রশ্নঃ সমূদ্রগুপ্ত কত বছর রাজ্য শাসন করেন?
উত্তরঃ ৪৫ বছর (৩৮০ খ্রিঃ পর্যন্তু)।

প্রশ্নঃ সমূদ্রগুপ্তের পিতা কে ছিলেন?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ মহাকবি কালিদাস কোন রাজার সভাকবি ছিলেন?
উত্তরঃ ২য় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ বিক্রমাদিত্য কার উপাধী ছিল?
উত্তরঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ অজান্তার গুহাচিত্র কোন যুগের সৃস্টি?
উত্তরঃ গুপ্তযুগের।

প্রশ্নঃ কোন সম্রাটকে ভারতীয় নেপোলিয়ন বলা হত?
উত্তরঃ সমুদ্রগুপ্তকে।

প্রশ্নঃ সর্ব প্রথম কোন চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আগমন করেন?
উত্তরঃ ফা-ইয়েন।

প্রশ্নঃ ফা-হিয়েন কার সময়ে ভারতবর্ষ পরিভ্রমন করেন ?
উত্তরঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ ২য় চন্দ্রগুপ্ত-এর রাজত্বকাল ছিল?
উত্তরঃ ৩৮০-৪১৩ খ্রিঃ

প্রশ্নঃ কখন সম্রাট আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে আগমন করেন?
উত্তরঃ খ্রীস্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে।

প্রশ্নঃ আলেকজান্ডারের গৃহ শিক্ষক কে ছিলেন?
উত্তরঃ এরিস্টটল।

প্রশ্নঃ গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত (শ্রী-গুপ্ত) ।

প্রশ্নঃ গুপ্ত সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন হয়?
উত্তরঃ ৩২০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।

প্রশ্নঃ গুপ্তযুগে বঙ্গের ভাগ কয়টি ছিল?
উত্তরঃ দুটি

প্রশ্নঃ গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে?
উত্তরঃ সমুদ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ কখন সম্রাট আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে আগমন করেন?
উত্তরঃ খ্রীস্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে।

প্রশ্নঃ আলেকজান্ডারের গৃহ শিক্ষক কে ছিলেন?
উত্তরঃ এরিস্টটল।

প্রশ্নঃ গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে কখন?
উত্তরঃ স্কন্দগুপ্তের বিক্রমাদিত্যের জীবনাবসনে।

প্রশ্নঃ সমূদ্রগুপ্ত কত বছর রাজ্য শাসন করেন?
উত্তরঃ ৪৫ বছর (৩৮০ খ্রিঃ পর্যন্তু)।

প্রশ্নঃ সমূদ্রগুপ্তের পিতা কে ছিলেন?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ মহাকবি কালিদাস কোন রাজার সভাকবি ছিলেন?
উত্তরঃ ২য় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্নঃ ২য় চন্দ্রগুপ্ত-এর রাজত্বকাল ছিল?
উত্তরঃ ৩৮০-৪১৩ খ্রিঃ

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: প্রাক সুলতানী আমল -গুপ্ত বংশ

0

প্রশ্ন: কখন সম্রাট আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে আগমন করেন?
উত্তরঃ 
খ্রীস্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে।

প্রশ্ন: আলেকজান্ডারের গৃহ শিক্ষক কে ছিলেন?
উত্তরঃ 
এরিস্টটল।

প্রশ্ন: গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত (শ্রী-গুপ্ত) ।

প্রশ্ন: গুপ্ত সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন হয়?
উত্তরঃ ৩২০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।

প্রশ্ন: সমূদ্রগুপ্তের পিতা কে ছিলেন?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: মহাকবি কালিদাস কোন রাজার সভাকবি ছিলেন?
উত্তরঃ ২য় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: ২য় চন্দ্রগুপ্ত-এর রাজত্বকাল ছিল?
উত্তরঃ ৩৮০-৪১৩ খ্রিঃ

প্রশ্ন: গুপ্তযুগে বঙ্গের ভাগ কয়টি ছিল?
উত্তরঃ দুটি

প্রশ্ন: ফা-হিয়েন কার সময়ে ভারতবর্ষ পরিভ্রমন করেন ?
উত্তরঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: ফা-হিয়েনের ভারত পরিভ্রমনের কারণ কি ছিল?
উত্তরঃ বৌদ্ধ ধর্মপুস্তক ‘বিনায়াপিটক’ এর মূল রচনা সংগ্রহ করা।

প্রশ্ন: ফা-হিয়েন কত বছর ভারতবর্ষে অবস্থান করেন?
উত্তরঃ তিন বছর।

প্রশ্ন: গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে?
উত্তরঃ সমুদ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: বিক্রমাদিত্য কার উপাধী ছিল?
উত্তরঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: অজান্তার গুহাচিত্র কোন যুগের সৃস্টি?
উত্তরঃ গুপ্তযুগের।

প্রশ্ন: কোন সম্রাটকে ভারতীয় নেপোলিয়ন বলা হত?
উত্তরঃ সমুদ্রগুপ্তকে।

প্রশ্ন: সর্ব প্রথম কোন চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আগমন করেন?
উত্তরঃ ফা-ইয়েন।

প্রশ্ন: গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে কখন?
উত্তরঃ স্কন্দগুপ্তের বিক্রমাদিত্যের জীবনাবসনে।

প্রশ্ন: গুপ্ত বংশের রাজত্বকাল স্থায়ী হয়েছিল?
উত্তরঃ ৩২০-৫৫০ খ্রিঃ

প্রশ্ন: গুপ্ত বংশের মধ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী রাজা কে ছিলেন ?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: ২য় চন্দ্রগুপ্ত-এর রাজত্বকাল ছিল?
উত্তরঃ ৩৮০-৪১৩ খ্রিঃ

প্রশ্ন: কখন সম্রাট আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে আগমন করেন?
উত্তরঃ খ্রীস্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে।

প্রশ্ন: আলেকজান্ডারের গৃহ শিক্ষক কে ছিলেন?
উত্তরঃ এরিস্টটল।

প্রশ্ন: গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত (শ্রী-গুপ্ত) ।

প্রশ্ন: ১ম চন্দ্রগুপ্তের উপাধি কি ছিল?
উত্তরঃ রাজাধিরাজ।

প্রশ্ন: সমূদ্রগুপ্ত কখন সিংহাসনে আরোহন করেছিল?
উত্তরঃ ৩৩৫ খ্রিঃ।

প্রশ্ন: সমূদ্রগুপ্ত কত বছর রাজ্য শাসন করেন?
উত্তরঃ ৪৫ বছর (৩৮০ খ্রিঃ পর্যন্তু)।

প্রশ্ন: সমূদ্রগুপ্তের পিতা কে ছিলেন?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: মহাকবি কালিদাস কোন রাজার সভাকবি ছিলেন?
উত্তরঃ ২য় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: গুপ্ত সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন হয়?
উত্তরঃ ৩২০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।

প্রশ্ন: গুপ্তযুগে বঙ্গের ভাগ কয়টি ছিল?
উত্তরঃ দুটি

প্রশ্ন: গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে?
উত্তরঃ সমুদ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: বিক্রমাদিত্য কার উপাধী ছিল?
উত্তরঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: ফা-হিয়েন কত বছর ভারতবর্ষে অবস্থান করেন?
উত্তরঃ তিন বছর।

প্রশ্ন: গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে কখন?
উত্তরঃ স্কন্দগুপ্তের বিক্রমাদিত্যের জীবনাবসনে।

প্রশ্ন: গুপ্ত বংশের রাজত্বকাল স্থায়ী হয়েছিল?
উত্তরঃ ৩২০-৫৫০ খ্রিঃ

প্রশ্ন: গুপ্ত বংশের মধ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী রাজা কে ছিলেন ?
উত্তরঃ ১ম চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: ১ম চন্দ্রগুপ্তের উপাধি কি ছিল?
উত্তরঃ রাজাধিরাজ।

প্রশ্ন: অজান্তার গুহাচিত্র কোন যুগের সৃস্টি?
উত্তরঃ গুপ্তযুগের।

প্রশ্ন: কোন সম্রাটকে ভারতীয় নেপোলিয়ন বলা হত?
উত্তরঃ সমুদ্রগুপ্তকে।

প্রশ্ন: সর্ব প্রথম কোন চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আগমন করেন?
উত্তরঃ ফা-ইয়েন।

প্রশ্ন: ফা-হিয়েন কার সময়ে ভারতবর্ষ পরিভ্রমন করেন ?
উত্তরঃ দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

প্রশ্ন: ফা-হিয়েনের ভারত পরিভ্রমনের কারণ কি ছিল?
উত্তরঃ বৌদ্ধ ধর্মপুস্তক ‘বিনায়াপিটক’ এর মূল রচনা সংগ্রহ করা।

প্রশ্ন: সমূদ্রগুপ্ত কখন সিংহাসনে আরোহন করেছিল?
উত্তরঃ ৩৩৫ খ্রিঃ।

প্রশ্ন: সমূদ্রগুপ্ত কত বছর রাজ্য শাসন করেন?
উত্তরঃ ৪৫ বছর (৩৮০ খ্রিঃ পর্যন্তু)।

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: বাংলাদেশের উপজাতীয় সম্প্রদায়ের আবাসস্থল

0

প্রশ্ন: মনিপুরী
সিলেট
প্রশ্ন: তনচংগা
রাঙ্গামাটি
প্রশ্ন: রনজোগী
বান্দরবানের গভীর অরণ্যে

প্রশ্ন: চাকমা
রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি
প্রশ্ন: সাঁওতাল
রাজশাহী ও দিনাজপুর
প্রশ্ন: রাখাইন
পটুয়াখালী
প্রশ্ন: মারমা
কক্সবাজার, বান্দরবান ও পটুয়াখালী
প্রশ্ন: হাজং
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
প্রশ্ন: রাজবংশী
রংপুর
প্রশ্ন: মুরং
বান্দরবানের গভীর অরণ্যে
প্রশ্ন: কুকি
সাজেক ভেলী (রাঙ্গামাটি)
প্রশ্ন: গারো
ময়মনসিংহ
প্রশ্ন: চাকমা
রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি
প্রশ্ন: সাঁওতাল
রাজশাহী ও দিনাজপুর
প্রশ্ন: রাখাইন
পটুয়াখালী
প্রশ্ন: মারমা
কক্সবাজার, বান্দরবান ও পটুয়াখালী
প্রশ্ন: খাসিয়া
সিলেট
প্রশ্ন: ওরাও
বগুড়া, রংপুর
প্রশ্ন: টিপরা
খাগড়াছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রাম
প্রশ্ন: লুসাই
পার্বত্য চট্টগ্রাম
প্রশ্ন: খুমি
বান্দরবান
প্রশ্ন: মনিপুরী
সিলেট
প্রশ্ন: তনচংগা
রাঙ্গামাটি
প্রশ্ন: রনজোগী
বান্দরবানের গভীর অরণ্যে
প্রশ্ন: উপজাতীয়
আবাসস্থল
প্রশ্ন: গারো
ময়মনসিংহ
প্রশ্ন: হুদি
নেত্রকোনা
প্রশ্ন: পাংখো
বান্দরবান
প্রশ্ন: খাসিয়া
সিলেট
প্রশ্ন: ওরাও
বগুড়া, রংপুর
প্রশ্ন: হাজং
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
প্রশ্ন: রাজবংশী
রংপুর
প্রশ্ন: মুরং
বান্দরবানের গভীর অরণ্যে
প্রশ্ন: কুকি
সাজেক ভেলী (রাঙ্গামাটি)
প্রশ্ন: হুদি
নেত্রকোনা
প্রশ্ন: পাংখো
বান্দরবান
প্রশ্ন: টিপরা
খাগড়াছড়ি, পার্বত্য চট্টগ্রাম
প্রশ্ন: লুসাই
পার্বত্য চট্টগ্রাম
প্রশ্ন: খুমি
বান্দরবান

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তথ্যের শ্রেষ্ঠ সংকলন

0

বিসিএস সহ যেকোনো চাকরির পরীক্ষার জন্য মুক্তিযুদ্ধ টপিকস থেকে প্রশ্নের জন্য এই পোস্ট পড়লে অনেকটাই কাভার হয়ে যাবে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?
উঃ বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রশ্ন: প্রথম কোথায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়।
প্রশ্ন: প্রথম কবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয ?
উঃ ০২ ই মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের পতাকা কে প্রথম উত্তোলন করেন?
উঃ আ স ম আব্দুর রব।
প্রশ্ন: কবে, কোথায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়?
উঃ ০৩ মার্চ, ১৯৭১, পল্টন ময়দানে।
প্রশ্ন: চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করা হয় ?
উঃ ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কবে, কোথায় স্থাপন করা হয়?
উঃ চট্টগ্রামের কালুরঘাটে, ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কারা?
উঃ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কবে, কোথায় সংগঠিত হয়?
উঃ ১৯ মার্চ, ১৯৭১ গাজিপুরে।
প্রশ্ন: শেখ মজিবুর রহমানকে প্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় কখন?
উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৭১ মধ্যরাতে।
প্রশ্ন: শেখ মুজিব কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার হতে মুক্তিলাভ করেন ?
উঃ ৮জানুয়ারি,১৯৭২।
প্রশ্ন: এ দেশের মাটি চাই, মানুষ নয়- এ উক্তি কার?
উঃ জেনারেল ইয়াহিয়া খান।
প্রশ্ন: সর্বপ্রথম কবে বাংলাদেশের স্বাধীন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়?
উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার কবে গঠিত হয়েছিল?
উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করা হয়েছিল কবে?
উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কবে শপথ গ্রহন করেছিল?
উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
উঃ ৬ জন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাজধানী কোথায় ছিল?
উঃ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে।
প্রশ্ন: মুজিবনগরের পুরাতন নাম কি ছিল?
উঃ বৈদ্যনাথ তলার ভবের পাড়া।
প্রশ্ন: কে বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিব নগর রাখেন?
উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।
প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন কে?
উঃ এম, মনসুর আলী।
প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রি ছিলেন কে?
উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।
প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উঃ শেখ মুজিবর রহমান।
প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রশ্ন: মুজিনগরে নতুন সরকার গঠনের ঘোষনাপত্র পাঠ করেন?
উঃ অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
প্রশ্ন: মুজিনগরে সরকারকে প্রথম গার্ড অনার কে প্রদান করেন?
উঃ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)
প্রশ্ন: জেনারেল ওসমানী কবে বাংলাদেশের সেনা প্রধান নিযুক্ত হন?
উঃ ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম বিমান বাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?
উঃ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
প্রশ্ন: প্রথম কোন বাংলাদেশী কূটনীতিক দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন?
উঃ এম হোসেন আলী।
প্রশ্ন: সাইমন ড্রিং কে ছিলেন?
উঃ ১৯৭১ সালে ঢাকায় কর্মরত ব্রিটিশ সাংবাদিক। যিনি সর্বপ্রথম পাকিস্থানী বর্বরতার কথা বর্হিবিশ্বে প্রকাশ করেন। তিনি পরবর্তীতে একুশে টেলিভিশনের পরিচালক ছিলেন।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন বিদেশী মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়?
উঃ ১৮ এপ্রিল কলকতায়।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধ চলা কালে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করেছিলেন?
উঃ ১১ টি।
প্রশ্ন: কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
উঃ ১০ নং সেক্টর।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি লাভ করেন?
উঃ ৭ জন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরউত্তম খেতাব লাভ করেন?
উঃ ৬৮ জন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীর বিক্রম উপাধি লাভ করে?
উঃ ১৭৫জন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্তির সংখ্যা কত?
উঃ ৪২৬ জন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট কতজন খেতাব প্রাপ্ত হন?
উঃ ৬৭৬ জন।
প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি?
উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।
প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের কোন খেতাবী কবর নেই?
উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।
প্রশ্ন: সমপ্রতি কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর পাকিস্তান থেকে দেশে এনে সমাহিত করা হয়েছে?
উঃ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান।
প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবর কোথায় ছিল?
উঃ পাকিস্তানের করাচীর মাশরুর বিমান ঘাটিতে।
প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর বাংলাদেশে ছিল না?
উঃ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের।
প্রশ্ন: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের কবর কোথায় ছিল?
উঃ ভারতের আমবাসা এলাকায়।
প্রশ্ন: দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধার নাম কি ?
উঃ ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে একজন ইতালীর নাগরিক মৃত্যুবরণ করেন তার নাম কি ছিল?
উঃ মাদার মারিও ভেরেনজি।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী কে?
উঃ হোসাইল হেমার ওয়াডার ওয়াডারল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে সর্বকনিষ্ঠ খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা কে?
উঃ শহীদুল ইসলাম(লালু) বীর প্রতীক।
প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠন করা হয় কবে?
উঃ ২১ নভেম্বর, ১৯৭১।
প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী কবে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে?
উঃ ০৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের সেনাধ্যক্ষ কে ছিলেন?
উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
প্রশ্ন: পাকিস্তানের পক্ষে কে আত্মসমর্পন করেন?
উঃ জেনারেল এ, কে নিয়াজী।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
উঃ রেসকোর্স ময়দানে।
প্রশ্ন: জেনারেল এ, কে নিয়াজী কার নিকট আত্মসমর্পণ করে?
উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার।
প্রশ্ন: আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে কে নেতৃত্ব প্রদান করেন?
উঃ বিমান বাহিনীর প্রধান কমোডর এ কে খন্দকার।
প্রশ্ন: জেনারেল নিয়াজী আত্মসমর্পের সময় পাকিস্তানের সৈন্যবাহিনীর কত সংখ্যা ছিল ?
উঃ ৯৩ হাজার।
প্রশ্ন: কোন সাহিত্যক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন?
উঃ আবদুস সাত্তার।
প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের চরমপত্র নামক কথিকা কে পাঠ করতেন?
উঃ এম আর আখতার মুকুল।
প্রশ্ন: ২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কখন?
উঃ ১৯৮০ সালে।
প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম মৃত্য বরণ কে করেন?
উঃ মোস্তফা কামাল (৮ এপ্রিল, ১৯৭১)।
প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষে মৃত্য বরণ কে করেন?
উঃ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
প্রশ্ন: একমাত্র বীর বিক্রম খেতাবধারী আদিবাসী/উপজাতী মুক্তিযোদ্ধা কে ছিলেন?
উঃ উক্যাচিং মারমা।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?
উঃ বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রশ্ন: প্রথম কোথায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়?
উঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়।
প্রশ্ন: প্রথম কবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয ?
উঃ ০২ ই মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের পতাকা কে প্রথম উত্তোলন করেন?
উঃ আ স ম আব্দুর রব।
প্রশ্ন: কবে, কোথায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়?
উঃ ০৩ মার্চ, ১৯৭১, পল্টন ময়দানে।
প্রশ্ন: চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করা হয় ?
উঃ ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র কবে, কোথায় স্থাপন করা হয়?
উঃ চট্টগ্রামের কালুরঘাটে, ২৬ মার্চ, ১৯৭১।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কারা?
উঃ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কবে, কোথায় সংগঠিত হয়?
উঃ ১৯ মার্চ, ১৯৭১ গাজিপুরে।
প্রশ্ন: শেখ মজিবুর রহমানকে প্রেফতার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায় কখন?
উঃ ২৫ মার্চ, ১৯৭১ মধ্যরাতে।
প্রশ্ন: শেখ মুজিব কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার হতে মুক্তিলাভ করেন ?
উঃ ১০ জানুয়ারী ১৯৭২।
প্রশ্ন: এ দেশের মাটি চাই, মানুষ নয়- এ উক্তি কার?
উঃ জেনারেল ইয়াহিয়া খান।
প্রশ্ন: সর্বপ্রথম কবে বাংলাদেশের স্বাধীন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়?
উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার কবে গঠিত হয়েছিল?
উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশকে প্রজাতন্ত্র ঘোষনা করা হয়েছিল কবে?
উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কবে শপথ গ্রহন করেছিল?
উঃ ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
উঃ ৬ জন।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাজধানী কোথায় ছিল?
উঃ মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে।
প্রশ্ন: মুজিবনগরের পুরাতন নাম কি ছিল?
উঃ বৈদ্যনাথ তলার ভবের পাড়া।
প্রশ্ন: কে বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিব নগর রাখেন?
উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।
প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন কে?
উঃ এম, মনসুর আলী।
প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রি ছিলেন কে?
উঃ তাজউদ্দিন আহম্মেদ।
প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উঃ শেখ মুজিবর রহমান।
প্রশ্ন: মুজিনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রশ্ন: মুজিনগরে নতুন সরকার গঠনের ঘোষনাপত্র পাঠ করেন?
উঃ অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
প্রশ্ন: মুজিনগরে সরকারকে প্রথম গার্ড অনার কে প্রদান করেন?
উঃ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)
প্রশ্ন: জেনারেল ওসমানী কবে বাংলাদেশের সেনা প্রধান নিযুক্ত হন?
উঃ ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম বিমান বাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?
উঃ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
প্রশ্ন: প্রথম কোন বাংলাদেশী কূটনীতিক দেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন?
উঃ এম হোসেন আলী।
প্রশ্ন: সাইমন ড্রিং কে ছিলেন?
উঃ ১৯৭১ সালে ঢাকায় কর্মরত ব্রিটিশ সাংবাদিক। যিনি সর্বপ্রথম পাকিস্থানী বর্বরতার কথা বর্হিবিশ্বে প্রকাশ করেন। তিনি পরবর্তীতে একুশে টেলিভিশনের পরিচালক ছিলেন।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন বিদেশী মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়?
উঃ ১৮ এপ্রিল কলকতায়।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধ চলা কালে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করেছিলেন?
উঃ ১১ টি।
প্রশ্ন: কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
উঃ ১০ নং সেক্টর।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি লাভ করেন?
উঃ ৭ জন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীরউত্তম খেতাব লাভ করেন?
উঃ ৬৮ জন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে কত জন বীর বিক্রম উপাধি লাভ করে?
উঃ ১৭৫জন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্তির সংখ্যা কত?
উঃ ৪২৬ জন।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মোট কতজন খেতাব প্রাপ্ত হন?
উঃ ৬৭৬ জন।
প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি?
উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।
প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের কোন খেতাবী কবর নেই?
উঃ বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন।
প্রশ্ন: সমপ্রতি কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর পাকিস্তান থেকে দেশে এনে সমাহিত করা হয়েছে?
উঃ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান।
প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবর কোথায় ছিল?
উঃ পাকিস্তানের করাচীর মাশরুর বিমান ঘাটিতে।
প্রশ্ন: কোন বীর শ্রেষ্ঠের কবর বাংলাদেশে ছিল না?
উঃ বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের।
প্রশ্ন: বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের কবর কোথায় ছিল?
উঃ ভারতের আমবাসা এলাকায়।
প্রশ্ন: দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধার নাম কি ?
উঃ ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে একজন ইতালীর নাগরিক মৃত্যুবরণ করেন তার নাম কি ছিল?
উঃ মাদার মারিও ভেরেনজি।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী কে?
উঃ হোসাইল হেমার ওয়াডার ওয়াডারল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে সর্বকনিষ্ঠ খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা কে?
উঃ শহীদুল ইসলাম(লালু) বীর প্রতীক।
প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী গঠন করা হয় কবে?
উঃ ২১ নভেম্বর, ১৯৭১।
প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বাহিনী কবে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে?
উঃ ০৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
প্রশ্ন: ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের সেনাধ্যক্ষ কে ছিলেন?
উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
প্রশ্ন: পাকিস্তানের পক্ষে কে আত্মসমর্পন করেন?
উঃ জেনারেল এ, কে নিয়াজী।
প্রশ্ন: মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
উঃ রেসকোর্স ময়দানে।
প্রশ্ন: জেনারেল এ, কে নিয়াজী কার নিকট আত্মসমর্পণ করে?
উঃ জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার।
প্রশ্ন: আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে কে নেতৃত্ব প্রদান করেন?
উঃ বিমান বাহিনীর প্রধান কমোডর এ কে খন্দকার।
প্রশ্ন: জেনারেল নিয়াজী আত্মসমর্পের সময় পাকিস্তানের সৈন্যবাহিনীর কত সংখ্যা ছিল ?
উঃ ৯৩ হাজার।
প্রশ্ন: কোন সাহিত্যক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন?
উঃ আবদুস সাত্তার।
প্রশ্ন: স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের চরমপত্র নামক কথিকা কে পাঠ করতেন?
উঃ এম আর আখতার মুকুল।
প্রশ্ন: ২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় কখন?
উঃ ১৯৮০ সালে।
প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম মৃত্য বরণ কে করেন?
উঃ মোস্তফা কামাল (৮ এপ্রিল, ১৯৭১)।
প্রশ্ন: বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষে মৃত্য বরণ কে করেন?
উঃ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
প্রশ্ন: একমাত্র বীর বিক্রম খেতাবধারী আদিবাসী/উপজাতী মুক্তিযোদ্ধা কে ছিলেন?
উঃ উক্যাচিং মারমা।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতটি পুরস্কার দেওয়া হয়?
উওর: তিনটি রাষ্ট্রীয় পুরস্কার দেওয়া হয়। যথা—
★বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা
★বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা
★মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ১০১টি ভাস্কর্য ও অবস্থান

0

১। মোদের গরব ➟ অখিল পাল ➟ বাংলা একাডেমী
প্রাঙ্গণ
২। জাতীয় সংসদ ভবন ➟ লুই আই কান ➟ শেরে বাংলা
নগর, ঢাকা
৩। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ➟ হামিদুর রহমান ➟ ঢাকা
মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণ
৪। মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ➟ তানভীর কবির ➟ মেহেরপুর
জেলার মুজিবনগর
৫। রাজারবাগ স্মৃতিসৌধ ➟ মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি ➟
গগনবাড়ি, সাভার
৬। শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ➟ মোস্তফা হারুন কুদ্দুস
হিলি ➟ ঢাকা মিরপুর
৭। স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভ ➟ এ কে এম ইকবাল ➟ ঢাকা
সেনানিবাস
৮। শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ➟ এ আর খন্দকার তাজউদ্দিন আহমদ
➟ মিরপুর
৯। স্বাধীনতা সংগ্রাম ➟ শামীম শিকদার ➟ফুলার রোড,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১০। অপরাজেয় বাংলা ➟সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ ➟
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবন
১১। রাজু ভাস্কর ➟ শ্যামল চৌধুরী ➟ ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি চত্বর
১২। স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ➟ শামীম শিকদার ➟ ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি চত্বর
১৩। শান্তির পাখি ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ টি এস সি,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪। বেগম রোকেয়া ভাস্কর্য ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟
রোকেয়া হলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৫। স্বামী বিবেকানন্দ ➟ শামীম শিকদার ➟ জগন্নাথ
হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৬। মা ও শিশু ➟ নভেরা আহমেদ ➟ মুজিব হল, ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়
১৭। নারী, শিশু ও পুরুষ ➟ নভেরা আহমেদ ➟ ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়
১৮। কৃষক পরিবার ➟ নভেরা আহমেদ ➟ জাতীয় জাদুঘর
প্রাঙ্গণ, ঢাকা
১৯। ক্যাকটাস ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়
২০। দোয়েল চত্বর ➟ আজিজুল জলিল পাশা ➟ ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় কার্জন হল
২১। শাপলা চত্বর ➟ আজিজুল জলিল পাশা ➟ মতিঝিল
২২। সাবাস বাংলাদেশ ➟ নিতুন কুন্ডু ➟ রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়
২৩। সংশপ্তক ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়
২৪। সর্বোচ্চ শহীদ মিনার ➟ রবিউল হুসাইন ➟
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
২৫। অমর একুশে ➟ জাহানারা পারভীন ➟ জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়
২৬। স্মরণ ➟ সৈয়দ সাইফুল কবির ➟ চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়
২৭। স্মারক ➟ মর্তুজা বশীর ➟ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যায়
২৮। একাত্তরের গণহত্যা ভাস্কর ➟ রাশা ➟ জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয়
২৯। জয় বাংলা জয় তারুণ্য ➟ আলাউদ্দিন বুলবুল ➟ ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়
৩০। মুক্তবাংলা ➟ রশিদ আহমেদ ➟ ইসলামী
বিশ্ববিদ্যালয়
৩১। সোনার বাংলা ➟ শ্যামল চৌধুরি ➟ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
৩২। জয় বাংলা ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ পটুয়াখালী
বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৩। অদম্য বাংলা ➟ গোপাল চন্দ্র পাল ➟ খুলনা
বিশ্ববিদ্যালয়
৩৪। দুর্বার বাংলা ➟ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়
৩৫। দূরন্ত ➟ সুলতানুল ইসলাম ➟ শিশু একাডেমী, ঢাকা
৩৬। জাগ্রত চৌরঙ্গী ➟ আব্দুর রাজ্জাক ➟ জয়দেবপুর
৩৭। জাগ্রত বাঙালী ➟ রফিকুল ইসলাম শাহীন ➟ যশোর
৩৮। মিশুক ➟ মোস্তাফা মনোয়ার ➟ জাতীয় শিশু পার্কের
সামনে
৩৯। কিংবদন্তী ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ মিরপুর, ঢাকা
৪০। সংগ্রাম ➟ জয়নুল আবেদিন ➟ সোনারগাঁও,
নারায়ণগঞ্জ
৪১। অঙ্গীকার ➟ আব্দুল্লাহ খালেদ ➟ সাভার
৪২। রক্তধারা ➟ চঞ্চল কর্মকার ➟ চাঁদপুর
৪৩। শপথ ➟ স্বপন আচার্য ➟ চাঁদপুর
৪৪। প্রত্যাশা ➟ মৃণাল হক ➟ ঢাকা
৪৫। বলাকা ➟ মৃণাল হক ➟ মতিঝিল
৪৬। অর্ঘ্য ➟ মৃণাল হক ➟ সায়েন্স ল্যাব ঢাকা
৪৭। দুর্জয় ➟ মৃণাল হক ➟ রাজারবাগ ঢাকা
৪৮। চির দুর্জয় ➟মৃণাল হক ➟ রাজারবাগ ঢাকা
৪৯। বিজয় ➟ মৃণাল হক ➟ খাগড়াছড়ি
৫০। সাম্যবাদ ➟ মৃণাল হক ➟ কাকরাইল
৫১। বাউল ভাস্কর ➟ মৃণাল হক ➟শাহজালাল বিমানবন্দর
৫২। বর্ষারাণী ➟ মৃণাল হক ➟ তেজগাঁও
৫৩। গোল্ডেন জুবিলী টাওয়ার ➟ মৃণাল হক ➟ রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়
৫৪। প্রতিরোধ ➟ মৃণাল হক ➟ নারায়ানগঞ্জ
৫৫। রাজসিক বিহার ➟মৃণাল হক ➟ হোটেল শেরাটন ঢাকা
৫৬। কোতয়াল ➟ মৃণাল হক ➟ মিন্ট রোড ঢাকা
৬৭। হজ্ব মিনার ➟ মৃণাল হক ➟ বিমানবন্দরের সামনে
৫৮। সীমান্ত গৌরব ➟ মৃণাল হক ➟ বিজিবি সদরদপ্তর
পিলখানা ঢাকা
৫৯। পতাকা ৭১ ➟ রূপম রায় ➟ মুন্সিগঞ্জ
৬০। প্রত্যয় ৭১ ➟ মৃণাল হক ➟ মাওলানা ভাসানী
বিশ্ববিদ্যালয়
৬১। চেতনা ৭১ ➟ মোঃ মইনুল ➟ কুষ্টিয়া
৬২। বিজয় ৭১ ➟ খন্দকার বদরুল ইসলাম নান্নু ➟ কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়
৬৩। অপরাজেয় ৭১ ➟ স্বাধীন চৌধুরী ➟ ঠাকুরগাঁও
৬৪। প্রবাহমান ৭১ ➟ মাদারীপুর
৬৫। মৃত্যুঞ্জয়ী ৭১ ➟ কাজল আচার্য ➟ শ্রীমঙ্গল,
মৌলভীবাজার
৬৬। অন্ধুরিত যুদ্ধ ৭১ ➟ বিন্দু সরকার ➟ মুন্সিগঞ্জ
৬৭। জয়তা ৭১ ➟ ইডেন মহিলা কলেজ
৬৮। একাত্তরের স্মরণে ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ বাংলা
একাডেমী প্রাঙ্গণ ঢাকা
৬৯। স্মৃতির মিনার ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়
৭০। চিরন্তন বাংলাদেশ ➟ আরিফুল আলম ➟ রাজশাহী
৭১। যুদ্ধজয় ➟ এজাজ ও কবির ➟ কুমিল্লা
৭২। যুদ্ধভাসান ➟ কুমিল্লা
৭৩। স্বাধীনতা ➟ হামিদুজ্জামান খান ➟ কাজি নজরুল
ইসলাম এভিনিউ ঢাকা
৭৪। স্বাধীনতা চত্বর ➟ মৃণাল হক ➟ মাদারীপুর।
৭৫। চিরঞ্জীব স্বাধীনতা ➟ নীল উৎপল কর ➟
কিশোরগঞ্জ
৭৬। চেতনায় চিরঞ্জীব ➟ মাহবুব শামীম ➟ মাইকেল
মধুসূদন কলেজ যশোর
৭৭। রক্তসোপান ➟ রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস
৭৮। কুরআন ভাস্কর্য ➟ কামরুল হাসান শিপন ➟ কসবা,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
৭৯। বীর ভাস্কর্য ➟ হাজ্জাজ কায়সার ➟ নিকুঞ্জ, ঢাকা
৮০। বীর বাঙালী ➟ এডভোকেট লুৎফর রহমান
৮১। বীরের প্রত্যাবর্তন ➟ সুদীপ্ত মল্লিক
৮২। শিখা অনির্বাণ ➟ ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
৮৩। শিখা চিরন্তন ➟ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
৮৪। তরফদার ➟ খুলনা
৮৫। অনুমান ➟ অনীক রেজা ➟ রংপুর
৮৬। জাতীয় স্মৃতিসৌধ ➟ সৈয়দ মাঈনুল হোসেন ➟ সাভার
৮৭। রুই-কাতলা ➟ হামিদুজ্জামান খান➟ ফার্মগেট ঢাকা
৮৮। সার্ক ফোয়ারা ➟ নিতুন কুন্ডু ➟ পান্থপথ ঢাকা
৮৯। কদম ফোয়ারা ➟ নিতুন কুন্ডু ➟ জাতীয় ইদগাহ ঢাকা
৯০। বিজয় সরণী ফোয়ারা ➟ আব্দুর রাজ্জাক ➟ তেঁজগাও,
ঢাকা
৯১। বঙ্গবন্ধু মনুমেন্ট ফোয়ারা ➟ আব্দুর রাজ্জাক ➟
গাজীপুর
৯২। রানার ➟ আজম হক সাচ্চু ➟ পোস্টাল একাডেমি,
রাজশাহী
৯৩। বিদ্যার্ঘ ➟ শাওন সগীর সাগর ➟ রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়
৯৪। মুক্তিযুদ্ধ শহীদ স্মৃতি ভাস্কর ➟ কাজী আরিফুল
ইসলাম ➟ বিমান বাংলাদেশ হেড অফিস ঢাকা
৯৫। হাস্যোজ্জ্বল বঙ্গবন্ধু ➟ রাশা ➟ ঝিগাতলা ঢাকা
৯৬। তিন নেতার মাজার ➟ মাসুদ আহমেদ ➟ ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা
৯৭। সাম্পান ➟ নিতুন কুন্ডু ➟ শাহ আমানত বিমানবন্দর,
চট্টগ্রাম
৯৮। বিজয় উল্লাস ➟ শামীম শিকদার ➟ কুষ্টিয়া
৯৯। বিজয় বিহঙ্গ ➟ হামিদুজ্জামান ও আমিনুল ইসলাম ➟
বরিশাল
১০০। নগরে নিসর্গ ➟ রাফিয়া আবেদিন ➟ তাঁতীবাজার
১০১। অতন্দ্র প্রহরী ➟ বৈরাম খান ➟ গুলিস্থান ঢাকা

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্রের তালিকা

0

১। জীবন থেকে নেয়া : জহির রায়হান
২। ওরা ১১ জন : চাষী নজরুল ইসলাম; (১৯৭২)
৩। আবার তোরা মানুষ হ : খান আতাউর রহমান (ফারুক,ববিতা)
৪। রক্তাক্ত বাংলা (কবরী,বিশ্বজিৎ)
৫। বাঘা বাঙ্গালি : আনন্দ
৬। একাত্তরের যীশু : নাসিরুদ্দিন ইউসুফ; (১৯৯৫);(শাহরিয়ার
কবিরের উপন্যাস থেকে)
৭। ধীরে বহে মেঘনা : আলমগীর কবীর; (১৯৭৩)
৮। আগুনের পরশমনি : হুমায়ুন আহমেদ; (১৯৯৫)
৯। শ্যামল ছায়া : হুমায়ুন আহমেদ; (২০০৬)
১০। মুক্তির গান : তারেক মাসুদ
১১। মুক্তির কথা : তারেক মাসুদ
১২। জয়যাত্রা : তৌকির আহমেদ
১৩। মাটির ময়না : তারেক মাসুদ; (২০০২)
১৪। সেই রাতের কথা বলতে এসেছি : কাওসার আহমেদ
চৌধুরী; (২০০৪)
১৫। Stop Genocide : জহির রায়হান; (১৯৭১)
১৬। Let There Be Light : জহির রায়হান; (১৯৭১)
১৭। অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী : সুভাষ দত্ত; (১৯৭৪)
১৮। সংগ্রাম : চাষী নজরুল ইসলাম; (খালেদ মোশাররফের
ডায়েরি অবলম্বনে)
১৯। আলোর মিছিল
২০। কলমীলতা (সোহেল রানা,কাজরী)
২১। হাঙ্গর নদী গ্রেনেড : চাষী নজরুল ইসলাম; (১৯৯৭);
(সেলিনা হোসেন এর উপন্যাস থেকে)
২২। শিলালিপি(শর্ট ফিল্ম) : শামীম আখতার; (শহীদ সাংবাদিক
সেলিনা পারভীনের জীবনী অবলম্বনে)
২৩। হৃদয়ে আমার দেশ (বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের
জীবনীভিত্তিক)
২৪। Nine Months to Freedom: The Story of Bangladesh;
ডকুমেন্টারি : এস সুখদেব
২৫। War crimes file : বিবিসি ডকুমেন্টারি (৩ কুখ্যাত ব্রিটেন
প্রবাসী রাজাকারের উপর) : গীতা সায়গল ও ডেভিড বার্গম্যান
২৬। Liberation Fighters : ডকুমেন্টারি; আলমগীর কবির;
(১৯৭১)
২৭। Innocent Millions : ডকুমেন্টারি; বাবুল চৌধুরী; (১৯৭১)
২৮। আগামী : মোরশেদুল ইসলাম; (১৯৮৪)
২৯। শরৎ ১৯৭১ : শর্ট ফিল্ম; মোরশেদুল ইসলাম (২০০০);
(শিশু একাডেমী)
৩০। নদীর নাম মধুমতি : তানভীর মোকাম্মেল; (১৯৯০)
৩১। নিঃসঙ্গ সারথী : তানভীর মোকাম্মেল (২০০৭); (মরহুম
তাজউদ্দীন আহমদের জীবনীভিত্তিক)
৩২। সূচনা : মোরশেদুল ইসলাম
৩৩। খেলাঘর : মোরশেদুল ইসলাম
৩৪। A State is Born : ডকুমেন্টারি; (১৯৭১)
৩৫। স্বাধীনতা : ইয়াসমিন কবির
৩৬। জয়বাংলা : (জাপান সরকারের সহায়তায় নির্মিত)
৩৭। হুলিয়া : তানভীর মোকাম্মেল; (নির্মলেন্দু গুণের
‘হুলিয়া’ কবিতা অবলম্বনে শর্টফিল্ম)
৩৮। ইতিহাসকন্যা : শামীম আখতার; (একজন যুদ্ধশিশুর জীবন
নিয়ে)
৩৯। মেঘের অনেক রঙ : হারুনুর রশীদ; (মাথিন); (১৯৭৯)
৪০। আমরা তোমাদের ভুলবো না : হারুনূর রশীদ; (শিশু
একাডেমী)
৪১। দুর্জয় : জাঁনেসার ওসমান; (শিশু একাডেমী)
৪২। বাংলা মায়ের দামাল ছেলে : রফিকুল বারী চৌধুরী; (শিশু
একাডেমী)
৪৩। শোভনের একাত্তর : দেবাশীষ সরকার; (শিশু
একাডেমী)
৪৪। একাত্তরের রঙপেন্সিল : মান্নান হীরা; (শিশু
একাডেমী)
৪৫। একাত্তরের মিছিল : কবরী সারোয়ার; (শিশু একাডেমী)
৪৬। জয় বাংলাদেশ : আই এস জোহর
৪৭। জয় বাংলা : উমা প্রসাদ
৪৮। ‘৭১-এর মা জননী: শাহ আলম করিণ (২০১৪), মুক্তি
পেয়েছিল: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪
৪৯। ডেটলাইন বাংলাদেশ : গীতা মেহতা
৫০। বাংলাদেশ স্টোরি : নগিসা ওশিমা
৫১। রহমান: দি ফাদার অফ দি নেশন : নগিসা ওশিমা
৫২। মেজর খালেদস ওয়ার : গ্রানাডা টেলিভিশন
৫৩। গেরিলা >> নাসির উদ্দিন ইউসুফ
৫৪। আমার বন্ধু রাশেদ >> নাসির উদ্দিন ইউসুফ( লেখক. ড.
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল)
৫৫। এই তো প্রেম: সোহেল আরমান
৫৬। হৃদয়ে ‘৭১: সাদেক সিদ্দিকী (২০১৪)
৫৭। দুরন্ত পদ্মা : দুর্গাপ্রসাদ

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি অসাধারণ হ্যান্ডনোট

0

> শেখ মুজিবের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস পালন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিনকে শিশু দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব করেন ড, নীলিমা ইব্রাহিম।
> শেখ মুজিবের বাবার নাম-শেখ লুতফর রহমান।
> শেখ মুজিবের মায়ের নাম-সায়েরা খাতুন।
> শেখ মুজিবের চার বোন দুই ভাই ছিলেন।
> শেখ মুজিব ভাই বোন দের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন।
> শেখ মুজিবের ডাক নাম খোকা।
> শেখ মুজিবের উচ্চতা ছিল ৫ ফিট ১১ ইঞ্চি।
> শেখ মুজিব বেরি বেরি রোগে আক্রান্ত ছিলেন।
> ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮ সালে শের-ই-বাংলার গোপালগঞ্জ মিশন স্কুল পরিদরশনের সময় সাক্ষাত হয়।
> ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে কর্ডন প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে বন্দি হন।
> ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিব জেলে ছিলেন। জেলখানা থেকে বিবৃতি প্রদান করেন।
> ১৯৬৪ সালের ১১ মার্চ শেখ মুজিবের নেতৃতে সর্ব দলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।
> বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর নাম কী?
উত্তর: শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব।
> বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম কত সালে, কোথায়?
উত্তর: ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ, গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়।
> বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় কোন স্কুলে?
উত্তর: গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
> বঙ্গবন্ধু ম্যাট্রিক পাশ করেন কোন স্কুল থেকে, কত সালে?
উত্তর: গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে, ১৯৪২ সালে।
> বঙ্গবন্ধু কলকাতা ইসলামিয়া কলেজের বেকার হোষ্টেলের কত নম্বর কক্ষে থাকতেন?
উত্তর: ২৪ নম্বর কক্ষে।
> বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন কীভাবে?
উত্তর: ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
> বঙ্গবন্ধু কত সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সহকারী নিযুক্ত হন?
উত্তর: ১৯৪৬ সালে।
> বঙ্গবন্ধু বিএ পাশ করেন কত সালে, কোন কলেজ থেকে?
উত্তর: ১৯৪৭ সালে কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে।
> বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন?
উত্তর: আইন বিভাগের।
> বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কত সালে কেন বহিস্কৃত হন?
উত্তর: ১৯৪৯ সালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করায় তাঁকে বহিস্কার করা হয়।
> বঙ্গবন্ধু জীবনে প্রথম কারাভোগ করেন কত সালে?
উত্তর: ১৯৩৯ সালে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ সভা করার কারণে তাঁকে কারভোগ করতে হয়।
> ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেখানে কী পদ পান?
উত্তর: যুগ্ম সম্পাদক।
> ১৯৫২ সালের কত তারিখে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবীতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন?
উত্তর: ১৪ ফেব্রুয়ারি।
> যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কোন আসনে বিজয়ী হন?
উত্তর: গোপালগঞ্জ আসনে।
> বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রীসভায় সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন?
উত্তর: ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভায়।
> ১৯৬৪ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সম্মিলিত বিরোধী দল গঠন করা হয়। দলটির নাম কী?
উত্তর: কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি।
> বঙ্গবন্ধু মুজিব ছয়দফা ১ম কবে ঘোষনা করেন?
উত্তর: ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
> আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ৬ দফা গৃহীত হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ।
> বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে কবে ছয়দফা ঘোষনা করেন?
উত্তর: ২৩ মার্চ ১৯৬৬
> কোন প্রস্তাবের ভিত্তিতে ছয়দফা রচিত হয়?
উত্তর: লাহোর প্রস্তাব
> ছয়দফার প্রথম দফা কি ছিল?
উত্তর: স্বায়ত্বশাসন
> ‘বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
উত্তর: ছয় দফা।
> আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল কত জন? বঙ্গবন্ধু কততম আসামী ছিলেন?
উত্তর: ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ছিলেন ১ নং আসামী।
> আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কী নামে দায়ের করা হয়েছিল?
উত্তর: রাষ্ট্রদ্রোহীতা বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য।
> শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।
> শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি কে দেন?
উত্তর: তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
> কোথায় ‘বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়?
উত্তর: রেসকোর্স ময়দানে।
> বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে ‘বাংলাদেশ’ নামকরন করেন কত সালে?
উত্তর: ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯ ।
> বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ কোথায় দেন?
উত্তর: ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দি উদ্যোন নামে পরিচিতি।
> বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য কী ছিল?
উত্তর: এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
> বঙ্গবন্ধু কখন স্বাধীনতার ঘোষণা দেন?
উত্তর: ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
> ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত অস্থায়ী সরকারের বঙ্গবন্ধুর পদ কী ছিল?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদ ছিল রাষ্ট্রপতি।
> বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান কবে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি।
> বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশে ফেরেন কবে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি, যা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস নামে পরিচিত।
> বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি।
> বঙ্গবন্ধু প্রথম নেতা হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা দেন কত সালে, কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর।
> বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে নিহত হন কত তারিখে?
উত্তর: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট।
>‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির লেখকের নাম কী?
উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
> বঙ্গবন্ধুর ছেলে–মেয়ে কত জন? তাদের নাম কী?
উত্তর: ৫ জন। তিন ছেলে দুই মেয়ে। শেখ হাসিনা, শেখ কামাল, শেখ রেহানা, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল
> বঙ্গবন্ধু জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে।
> শেখ মুজিব ১৯৫২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি কারাগারে অনশন শুরু করেন।
> শেখ মুজিব ১৯৫৩ সালের ১৬ নভেম্বর আওয়ামী মুস্লিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন।
> শেখ মুজিব ১৯৫৪ সালে ১০ মার্চ সাধারন নিরবাচনে ২৩৭টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩ টি আসন লাভ করে।
> শেখ মুজিব ১৯৫৪ সালের ২ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করা হয়।
> শেখ মুজিব ১৯৫৪ সালের ১৪ মে যুক্তফ্রন্ট সরকারের কনিষ্ঠ মন্ত্রি হিসেবে যোগদান করেন।
> শেখ মুজিব ১৯৫৫ সালের ৫ জুন পাকিস্তানের গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
> শেখ মুজিব ১৯৫৫ সালের ১৭ জুন পলতনের জন সভায় পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন দাবী করেন।
> ১৯৫৫ সালের ২১ অক্টোবর আওয়ামী মুসলিম লীগের বিশেষ কাউন্সিল অধিবেশনে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে আদর্শ হিসেবে গ্রহন করে মুস্লিম শব্দটি প্রত্যাহার করে নতুন নামকরন করেন আওয়ামী লীগ।
> ১৯৬৪ সালের ১১ মার্চ শেখ মুজিব এর নেত্রিত্তে সর্ব দলীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।
> ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগ কাউন্সিল অধিবেশনে ৬ দফা গ্রিহিত হয়।
> ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ক্যান্তন ম্যান্তে সার্জেন্ট জহুরুল হক কে হত্যা করা হয়।
> ১৯৬৯ সালের ২৩ মার্চ শেখ মুজিবকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেওয়া হয়।
> ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ রাওয়াল পিণ্ডিতে গোল টেবিল আলোচনা ব্যর্থ হয়ার পর আইয়ুব ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হ্যান্ডঅভার করেন।
> ১৯৭১ সালে ২৭ জানুয়ারি জুলফিকার আলী কয়েক দফা আলোচনা করেন।
> ১৯৭১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ইয়াহিয়া বেতার ভাষণে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনের আহব্বান করেন।
> ১৯৭১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ মুজিবকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করা হয়।
> ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণ প্রদান করেন।
> শেখ মুজিব ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের সাধিনতা ঘোষণা করেন।
> ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
> শেখ মুজিবকে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বন্দি করে পাকিস্তানে নিয়ে যান।
> ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে পিয়াইয়ের বিমানে করে লন্ডন-এ হিথরো বিমান বন্দরে অবতরন করেন যান। তখন ব্রিটেনের প্রধান মন্ত্রি ছিল উইলিয়াম অ্যাডওয়াড হিথ। ১০ জানুয়ারি ব্রিটেনের রাজকীয় কমেট বিমানে ভারতে আসেন। তখন ভারতের রাস্ত্রপতি ছিলেন ভিপি গিরি।
> ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
> ১০ জানুয়ারি রাতে ১৯৭২ রাস্ত্রপতির দায়িত্ত গ্রহন করেন।
> ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ সংসদীয় কাঠামো প্রবরতন করে মন্ত্রি পরিষদ গঠন করা হয়। শেখ মুজিব দেশের প্রধান্মন্ত্রি নিজুক্ত হন।
> ২৬ মার্চ ১৯৭২ শোষণহিন সমাজ গঠনের অঙ্গীকার নিয়ে প্রথম স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়।
> ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়।
> ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে খসড়া শাসনতন্ত্র অনুমোদিত হয়।
> ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর হয়।
> ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ গণপরিষদ বাতিল করা হয়।
> নতুন সংবিধানের আলোকে ৭ মার্চ ১৯৭৩ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে ৩০০ টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯২ টি আসন লাভ করে।
> ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসঙ্গে বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন।
> ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়।
> বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অনন্য ইতিহাস ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহরে ৬ দফা প্রস্তাব। কে এই প্রস্তাব লিখেন তা নিয়ে তিনটি মতবাদ আছে- এর একজন হল রুহুল কুদ্দুস, শামসুর রহমান খান, আহম্মেদ ফজলুর রহমান সি এস পি অফিসার এ টি লিখে ব্যাংকার খায়রুল কবিরের মাধ্যমে শেখ মুজিবের কাছে পৌঁছান হয়। আরও একটি মতবাদ হল আইয়ুব খানের বিশ্বস্ত আমলা আলতাব গওহর এ টি শেখ মুজিবের হাতে তুলে দেন।
> পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতির নাম নওয়াব জাদা নসরুল্লাহ।
> ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল এ কে ফজলুল হক মারা যান। ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহিদ সোহরাওয়ারদী মারা যান। দায়িত্ত চলে আসে শেখ মুজিবের উপর। শেখ মুজিব এই দিনটি স্মরণীয় করে রাখার জন্য পূর্ব বাংলাকে বাংলাদেশ নামকরন করেন।
> পাকিস্তানের ২৪ বছরের মধ্যে শেখ মুজিব ১২ বছর জেল খাটেন।
> ৬ দফা আন্দোলনকে মুছে ফেলার জন্যই ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি শেখ মুজিবকে প্রধান আসামি করে ৩৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য নামে মামলা দায়ের করা হয়।
> ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি শেখ মুজিব মুক্তি পাওয়ার পর জেল গেইটে আবার আটক করা হয়।
> ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন এই মামলার বিচার কাজ শুরু হয় ঢাকা সেনানিবাসে।
> পাকিস্তান দণ্ড বিধির ১২১ (ক) এবং ১৩১ ধারায় শুনানি হয়।
> এই মামলার বিচার চলাকালিন সময়ে ২৬ জন কৌশলী ছিলেন। শেখ মুজিবের প্রধান কৌশলী ছিলেন আব্দুস সালাম খান। একটি সেশনের জন্য ব্রিটেন থেকে আসেন আইনজীবী টমাস উইলিয়াম। তাকে সাহায্য করেন তরুণ ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম ও মওদুদ আহমেদ।
> এই মামলার ১০০ টি অনুচ্চেদ ছিল। ১১ জন রাজ সাক্ষী ও ২২৭ জন সাক্ষীর তালিকা আদালতে পেশ করা হয়।
> এই মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঞ্জুর কাদের, এম এর খান। বাঙালি ছিলেন মুকসুদুল করিম।
> এই মামলার প্রতিক্রিয়ায় ৪ জানুয়ারি ১৯৬৯ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। এই পরিষদ ১১ দফা ও ৬ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন গড়ে তোলেন। এই আন্দোলনের ফলে জান্তা সরকার এই মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবকে শর্তহীন মুক্তি দেন।

Latest Knowledge- বাংলাদেশ বিষয়াবলি: বাংলাদেশের কোন শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত

0

#  ঢাকা: বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
#  খুলনা: ভৈরব ও রূপসা নদীর মিলনস্থলে।
#  কুমিল্লা: গোমতী নদীর তীরে।
#  রাজশাহী: পদ্মা নদীর তীরে।
#  কুষ্টিয়া: গড়াই নদীর তীরে।
#  বাংলাবান্দা : মহানন্দা নদীর তীরে।
#  বরিশাল: কীর্তন খোলা নদীর তীরে।
# চট্টগ্রাম: কর্ণফুলী নদীর তীরে।
#  সিলেট: সুরমা নদীর তীরে।
#  ভোলা: তেঁতুলিয়া ও বলেশ্বর নদীর তীরে।
#  হবিগঞ্জ: খোয়াই নদীর তীরে।
#  মৌলভীবাজার: মনু নদীর তীরে।
#  জামালপুর: পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে।
#  কিশোরগঞ্জ: পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে।
#  শরীয়তপুর: পদ্মা নদীর তীরে।
#  শিলাইদহ: পদ্মা নদীর তীরে।
#  মহাস্থানগড়: করতোয়া নদীর তীরে।
#  ছাতক: সুরমা নদীর তীরে।
#  ময়মনসিংহ: পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে।
#  দিনাজপুর: পুনর্ভবা নদীর তীরে।
#  ফরিদপুর: আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে।
#  মাদারীপুর: পদ্মা নদীর তীরে।
#  যশোর: কপোতাক্ষ নদীর তীরে।
# গাজীপুর: তুরাগ নদীর তীরে।
#  বগুড়া: করতোয়া নদীর তীরে।
#  চন্দ্রঘোনা: কর্ণফুলী নদীর তীরে।
#  ঝিনাইদহ: নবগঙ্গা নদীর তীরে।
#  টঙ্গী: তুরাগ নদীর তীরে।
#  গোলাগঞ্জ: মধুমতি নদীর তীরে।
#  টুঙ্গীপাড়া: মধুমতি নদীর তীরে।
#  ঘোড়াশাল: শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে।
#  সারদা: পদ্মা নদীর তীরে।
#  ফেঞ্চুগঞ্জ: কুশিয়ারা নদীর তীরে।
#  নলছিটি: সুগন্ধা নদীর তীরে।
#  আশুগঞ্জ: মেঘনা নদীর তীরে।
#  পটুয়াখালী: পায়রা নদীর তীরে।
#  রাঙামাটি: কর্ণফুলী ও শংখ নদীর তীরে।
#  নোয়াখালী: মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর তীরে।
#  সিরাজগঞ্জ: যমুনা নদীর তীরে।
#  কাপ্তাই: কর্ণফুলী নদীর তীরে।
#  টেকনাফ: নাফ নদীর তীরে।
#  পাবনা: ইছামতি নদীর তীরে।
#  মুন্সিগঞ্জ: ধলেশ্বরী নদীর তীরে।
#  চাঁদপুর: মেঘনা নদীর তীরে।
#  সুনামগঞ্জ: সুরমা নদীর তীরে।
#  মংলা: পশুর নদীর তীরে।
#  নারায়ণগঞ্জ: শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে।
#  আশুগঞ্জ: মেঘনা নদীর তীরে।
#  ঝালকাঠি: বিশখালী নদীর তীরে।
#  ঠাকুরগাঁও: টাঙ্গন নদীর তীরে।
#  ভৈরব: মেঘনা নদীর তীরে।
#  শেরপুর: কংশ নদীর তীরে।
# রাজবাড়ি: পদ্মা নদীর তীরে।
#  টাঙ্গাইল: যমুনা নদীর তীরে।
#  পঞ্চগড়: করতোয়া নদীর তীরে।
#  কুড়িগ্রাম: ধরলা নদীর তীরে।
#  কক্সবাজার: নাফ নদীর তীরে।
#  ফেনী: ফেনী নদীর তীরে।
#  লালবাগের কেল্লা: বুড়িগঙ্গা নদের তীরে।
#  বরগুনা: বিশখালী ও হরিণঘাটা নদীর তীরে।
#  পাকসী: পদ্মা নদীর তীরে।
#  মাগুরা: কুমার ও গড়াই নদীর তীরে।
#  ভেড়ামারা: পদ্মা নদীর তীরে।
#  মেহেরপুর: ইছামতি নদীর তীরে।
# রংপুর: তিস্তা নদীর তীরে।